অর্থজগত প্রতিবেদন
২০২৬ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর কর মেয়াদের অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ সময়ের মধ্যে করদাতারা কোনো ধরনের সুদ বা জরিমানা ছাড়াই তাঁদের ভ্যাট রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। সংশোধিত বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এনবিআরের ইলেকট্রনিক ভ্যাট (ই-ভ্যাট) ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এনবিআরের এক অফিস আদেশে সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের অংশ হিসেবে জারি করা ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর মাধ্যমে ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের বিধানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন বিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অনলাইন রিটার্ন দাখিলের প্রক্রিয়া সচল রাখতে ই-ভ্যাট সিস্টেমে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত সমন্বয় করতে হচ্ছে। এ কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিলের সুযোগ নিশ্চিত করতে সময়সীমা বাড়ানো প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
রাজস্ব বোর্ড জানিয়েছে, জনস্বার্থ বিবেচনায় ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’-এর ৬৪(২) ধারায় অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ করে রিটার্ন দাখিলের চূড়ান্ত সময়সীমা ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট কর মেয়াদের রিটার্ন জমা দিতে যেসব করদাতা নতুন সময়সীমার সুযোগ নেবেন, তাঁরা নির্ধারিত তারিখের মধ্যে দাখিল সম্পন্ন করতে পারবেন।
ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের বিধানে সংশোধন এবং ই-ভ্যাট ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় কারিগরি পরিবর্তনের মধ্যবর্তী সময়ে করদাতারা যাতে রিটার্ন জমা দিতে গিয়ে জটিলতায় না পড়েন, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলো অতিরিক্ত সুদ বা জরিমানার ঝুঁকি ছাড়াই রিটার্ন দাখিলের জন্য আরও সময় পাবেন।
এনবিআরের এ সিদ্ধান্তের ফলে জুলাই-সেপ্টেম্বর কর মেয়াদের অনলাইন ভ্যাট রিটার্ন জমার ক্ষেত্রে করদাতাদের জন্য অতিরিক্ত সময়ের সুযোগ তৈরি হলো। তাই নির্ধারিত বর্ধিত সময়সীমার মধ্যে সংশ্লিষ্ট করদাতাদের রিটার্ন দাখিল সম্পন্ন করতে হবে।


